কবি, তোমার লেখা কবিতায় কতো কিছুই লেখা থাকে,
কতোজনই তা পড়ে, কেউ বাহাবা দেয়,
দেয় তোমাকে আর্শিবাদ,কেউ বা মুগ্ধ হয়ে
তোমার লেখার ভক্ত হয়ে যায়,
শুধু আমি জানি, তুমি কাকে নিয়ে লিখছো
তোমার এই কবিতা।।
তোমার কবিতার কথামালার প্রতিটি শব্দের
প্রতিটি অক্ষরের মানে আমাকে বার বার দংশন করে,
বার বার চোখের জল ঝরায়,
এতোটা ভালোবেসেছি তোমায়
তবু তোমার কবিতা আমাকে
পাষানী বা প্রতারক বানায়।।
আসলেই কি আমি তাই,
কবি, আজ তোমাকে প্রশ্ন করছি,
সত্যি করে বলবে কি তুমি,
তোমাকে কোনদিন আমি ভালোবাসিনি ?
নিঃস্বার্থভাবে ভালোবেসে সব কিছু দেয়নি তোমায়?।।
তবে কেনো এই অপবাদ, এই কলমের খোঁচা,
কেনোই বা আমাকে পুড়িঁয়ে শেষ করার প্রয়াস
কেনো তবে কবিতায় আমায় লাঞ্ছিত করো
ভালোবাসার তবে কি এই প্রতিদান
কবি, আজ উত্তর দাও আমায়।
অসীম শূন্যতার মাঝে বসবাস
এই শূন্যতাকে ভরিয়ে দেয়ার
ব্যর্থ চেষ্টা করি মাঝে মাঝে
সফল হইনা, বা আমাকে সফল হতে দেয় না
এই পৃথিবীর প্রকৃতি, কি যে নিষ্ঠুরতার সাখে
বার বার আমাকে ফিরিয়ে দেয় খালি হাতে,
একবারো ভাবে না, এই ফিরিয়ে দেয়ায়
কতোটা কষ্ট পাই আমি।।
মাঝ রাতে ঘুম ভেঙ্গে কাউকে হাতড়ে বেড়াই
একটু আঁকড়ে ধরবার জন্য,
কিন্তু কেউ থাকে না পাশে, পাশ বালিশটা ছাড়া,
চোখের জলে ভিজে উঠে মাথার বালিশটি
চোখের জল লুকানোর ব্যর্থ চেষ্টা করিনা তখন,
লুকিয়েই বা কি হবে কেউ তো আর দেখতে পায় না ।।
তবু সকালে ঘুম থেকে উঠে হাসি মুখে
সুপ্রভাত জানাই নতুন দিনকে,
মেকি হাসি মুখে এঁকে শুরু করি আরেকটি দিন
পৃথিবীর সাথে প্রতারণা করি, করি নিজের সাথেও
এই প্রতারণা করেই বেঁচে থাকি, বেঁচে থাকতে হয় বলে,
নিজের জন্য বা আরো অনেকের জন্য
যারা আমার একমাত্র আশ্রয়।।
এতো কিছুর পরেও আবার স্বপ্ন দেখি
হয়তো কোন একদিন মাঝে রাতে
ঘুম ভেঙ্গে পাশ বালিশ নয়
কাউকে আঁকড়ে ধরবো এই বুকে খুব শক্ত করে,
যেনো আর পালিয়ে যেতে না পারে আমায় একা রেখে।।
আজ বলতে চাই তোমায়,
আমার জন্য চেওনা র্পূণিমার আলো
চেওনা না অঝোর শ্রাবণ ধারা বা আকাশের মিটিমিটি তারা,
কিছুই চাইনে আমি, শুধু চাই,
তুমি এসো, বসো আমার পাশে
আমার হাতটি নিয়ে তোমার হাতের মুঠোয়
একটু উষ্ঞতা দাও, তোমার মাঝে
খুঁজে পেতে দাও আজ আমাকে ।।
শুধু বলতে চাই তোমায়, আমি কিছু চাইনে,
এই আমি তোমাকে চাই,খুব কাছে,
এতো কাছে তোমার নিঃশ্বাসের গরম বাতাস যেনো
আমায় পুড়িয়ে দিয়ে যায়, ছাড়খার করে দিয়ে যায় আমার অহমিকা।।
শুধু বলতে চাই তোমায়, এই আমাকে আজ নিয়ে চলো
দূর অজানায়, যেখানে পাখীরা গান গায়, ফুল ফুটে
স্নিগ্ধ বাতাসে আমি উড়াবো আঁচল ,
সেই আঁচলের দোলায় তুমি পাবে সুখের পরশ।।
শুধু বলতে চাই তোমায়, আমার চোঁখে স্বপ্ন দিও না
স্বপ্নরা বড্ড অভিমানি হয়, আমার চোঁখে শুধু তোমায় দেখো
আমি ভালোবাসায় পরিপূর্ণ করে দিবো তোমাকে ।।
কবি, তোমার লেখা কবিতায় কতো কিছুই লেখা থাকে,
কতোজনই তা পড়ে, কেউ বাহাবা দেয়,
দেয় তোমাকে আর্শিবাদ,কেউ বা মুগ্ধ হয়ে
তোমার লেখার ভক্ত হয়ে যায়,
শুধু আমি জানি, তুমি কাকে নিয়ে লিখছো
তোমার এই কবিতা।।
তোমার কবিতার কথামালার প্রতিটি শব্দের
প্রতিটি অক্ষরের মানে আমাকে বার বার দংশন করে,
বার বার চোখের জল ঝরায়,
এতোটা ভালোবেসেছি তোমায়
তবু তোমার কবিতা আমাকে
পাষানী বা প্রতারক বানায়।।
আসলেই কি আমি তাই,
কবি, আজ তোমাকে প্রশ্ন করছি,
সত্যি করে বলবে কি তুমি,
তোমাকে কোনদিন আমি ভালোবাসিনি ?
নিঃস্বার্থভাবে ভালোবেসে সব কিছু দেয়নি তোমায়?।।
তবে কেনো এই অপবাদ, এই কলমের খোঁচা,
কেনোই বা আমাকে পুড়িঁয়ে শেষ করার প্রয়াস
কেনো তবে কবিতায় আমায় লাঞ্ছিত করো
ভালোবাসার তবে কি এই প্রতিদান
কবি, আজ উত্তর দাও আমায়।।
স্বপ্ন গুলো আমার কাঁচের মতো স্বচ্ছ ছিলো
এক পাষন্ড এসে ঘোলা করে দিয়ে
অট্টহাসিতে ফেটে পরলো, হুঙ্কার দিয়ে শাষিয়ে গেলো
স্বপ্ন দেখবে বাছা?? সেই অধীকার কে দিয়েছে তোমায়??
একটু মুচকে হেসে শুধু তাকে বললাম,
যতোই শাষাও আমায়
আমি কিন্তু দমবার পাত্রী নই,
আমি শিখেছি সামনে এগুতে,
আমি শিখেছি পথের কাঁটাকে সরিয়ে হাঁটতে,
আমি শিখেছি এক গালে চড় খেয়ে অন্য গাল এগিয়ে দিতে।।
আমার স্বপ্নগুলো যদি তোমায় বড় যন্ত্রনা দেয়
চোখটা বন্ধ করে আমার স্বপ্নগুলোকে
তোমার ওই পাষানী চোখে এঁকে নাও
দেখবো তোমার দুঃস্বপ্ন গুলো হেসে উঠেছে
আমার স্বপ্নের ছোঁয়ায় দেখবে খুজে পেয়েছো
নতুন করে বাঁচার অনুপ্রেরণা ।।
আমার স্বচ্ছ স্বপ্নগুলোর আলোর ছটায়
তোমার জীবনকে আলোকিত করো
আলোতি করো এই পৃথিবীর সকল অসত্যকে।।
আবার কাঠগড়ায় দাঁড় করালে আমায়
তোমরা বিচার করবে আমার,
করো বিচার, আমিও দেখতে চাই
তোমাদের বিচারে কি সাজা হয় আমার ।।
আমার বিচার করবে তোমরা,
আমি কেনো নারী হয়ে জন্মালাম,
কেনো জন্মেছি কালো বরন নিয়ে,
তাই প্রথমেই লাঞ্ছিত করলে জন্মদাত্রীকে,
কেনো সে এমন সন্তানের জন্ম দিলো এই পৃথিবীতে।।
আমার বিচার করবে তোমরা,
কেনো আমি শিক্ষিত হয়েছি, নিজের অধিকারের কথা বলি
যোগ্যতা থাকা সত্তেও বসতে পারিনা ওই বিচারকের আসনে
কেনো ঐ আসনে বসবার জন্য আমি লড়াই করি
কোন আমি করতে চাই তোমাদের বিচার ।।
আমার বিচার করবে তোমরা,
কেনো আমি অন্যায়ের প্রতিবাদ করি
কেনো অসহায় পাশে দাড়িয়ে তার অধিকারের জন্য
লড়াই করি, কেনো নিরাশ্রয়ের জন্য আশ্রয় চাই।।
আমার বিচার করবে তোমরা,
বাল্যকাল থেকে শৈশব, শৈশব কৈশোর
কৈশোর থেকে যুবতী হয়েছে তোমাদের অবিচার দেখতে দেখতে
কখনো বলতে পারিনি, করতে পারিনি কোন প্রতিবাদ
হয়তো তখন এতো সাহসী ছিলাম না আমি,
এখন আমি সাহস সঞ্চয় করেছি,
লড়তে শিখেছি তোমাদের সাথে, এরপর থেকেই
বার বার আমাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালে তোমরা
কেনো এতো বিচার করবে আমার,
যে অধিকারে তোমরা সামনে যাও
আমার কেনো তবে আজ নেই সেই অধিকার
কি বিচার করবে তোমরা আজ আমার ।।
আমি থাকি না থাকি,
মিশে রবো তোমাদের মাঝে
কখনো বা কারো কবিতার উপমায়,
কারো গানের সুরের মূর্চ্ছনায়,
হয়তো বা কারো দীর্ঘশ্বাসে।।
আমি থাকি না থাকি,
আমি রয়ে যাবো কোন এক নির্জণ দুপুরে
ক্লান্ত পথিকের বটগাছের ছায়া হয়ে,
একটু শীতল পরশ দিয়ে সব ক্লান্তি ভুলিয়ে দিতে।।
আমি থাকি না থাকি,
আমি ঝরে যাবো
কারো চোখের জল হয়ে
যে জল মুছিয়ে দেবে কেউ
ভালোবাসার আচঁল দিয়ে।।
আমি থাকি না থাকি,
আমি ঠিকই থেকে যাবো
কারো ঘৃনায়, কারো হাসিতে
কারো কান্নায়, কারো ছায়ায়,
যে ভাবেই রাখো আমায়
আমি সেই ভাবেই রয়ে যাবো
তোমাদেরই একজন হয়ে।।
কথা ছিলো অনেক কিছুই
পাশে পাশে আজীবন এক হয়ে চলার
যতোই কাঁটা বিছানো থাকুক
র্নিভয়ে সেই পথ মাড়িয়ে সামনে চলার,
যতো আসুক ঝড় বা তুফান
এক সাথে মোকাবেলা করা সেই ঝড়কে,
নতুন দিনের সাথে সব ভুলে নতুন করে
নিজেদের নতুন ভুবন সাজানোর।।
দিনে দিনে সেই কথা হয়ে গেলো ফিঁকে
কথা শুধুই কথা রয়ে গেলো,
থাকলো না সেই কথার কোন মূল্য
না কোন সম্মান, না কোন হৃদ্যতা।।
ডাহুক পাখীর সুরে এখন আর কারো বিচলিত হওয়া হয় না
আকাশের নীলেও নিজেদের সাজাতে বড্ড অনীহা আজ
বৃষ্টিতে ভেজা কিংবা দূরের পাহাড়ে ঢলে পরা সূর্যকে
এক সাথে দেখার ইচ্ছাও মরে গেছে
এখন সেখানে বাস করে চলে যাওয়ার দেবীরা।।
এখন যেতে পারলেই যেনো তার মুক্তি
সব প্রতিশ্রুতি থেকে, সব লেনদেন থেকে
অপমান আর অবিশ্বাসের বোঝাকে খুব ভারী লাগে
চলে যাওয়াই তাই শ্রেয় এই মায়াহীন বাঁধন থেকে।।
মাঝ রাতে ঘুম ভেঙ্গে বাইরে তাকিয়ে দেখি
তমসাচ্ছন্ন পুরো পৃথিবী
শুনশান নীরবতা ঘিরে রেখেছে প্রকৃতিকে,
অমাবস্যায় ছেয়ে আছে আকাশটাও,
এর মাঝেই চমকে উঠলাম,
একটা দীর্ঘশ্বাসের শব্দ শুনতে পেলাম,
স্পষ্টই শুনলাম শব্দটা।।
দীর্ঘশ্বাসটা কোথা থেকে আসছে খোজার চেষ্টা করতে লাগলাম
কিন্তু পেলাম না খুজে, তবে কি আমার শোনার ভুল?
শত ভেবেও বার করতে পারলাম না এর রহস্য
আবার কানে এসে বিঁধলো আওয়াজটা
এতোটা ভুল তো হওয়ার নয় এই কানটার
কিসের আওয়াজ তাহলে কানে এসে বিঁধছে?
ভালো করে আবার তাকালাম বাইরে
শান্ত পরিবেশ, তবু কেমন জানি চাপা, ঘোর লাগা আর বিষণ্ণ
আবারো শুনলাম র্দীঘশ্বাসটা, এবার চমকে উঠবার পালা
স্পষ্ট যে শব্দ কানে বাজে তা কি ভুল হতে পারে?
নিজেই নিজেকে শুধালাম,
এই দীর্ঘশ্বাসটা কি তাহলে কোন মানুষের ? নাকি প্রকৃতির,
বিষণ্ণ ওই মেঘটার? নাকি পাতা ঝরা গাছটার?
তমসায় ঘেরা দুনিয়াটার, নাকি আমার মতোই কারো একজনের?
রহস্যটা রহস্যই রয়ে গেলো,
সমাধান করতে পারলাম না আমি তার।।
© 2012 কবিতার ব্লগ. All rights reserved.
Powered by Blog.com